• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
Techogram

যশোরে চাঞ্চল্যকর আলমগীর হত্যা: প্রধান আসামির জামিন ও নিহতের পরিবারকে হুমকির অভিযোগ


FavIcon
সাইফুল্লাহ খালিদ
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬, ০৮:১০
ছবির ক্যাপশন: ad728

নিজেস্ব প্রতিনিধি:
যশোর শহরের শংকরপুরে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা নগর বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন হত্যা মামলার প্রধান আসামি বাসেদ আলী পরশ জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। আর কারাগার থেকে বের হওয়ার পর থেকেই নিহতের পরিবারকে আসামিপক্ষ থেকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে নিহতের স্ত্রী-সন্তানেরা। আজ ​মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন নিহত আলমগীরের স্ত্রী শামীমা বেগম।

 সংবাদ সম্মেলনে নিহতের মেয়ে ইলারা খাতুন রাত্রিসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

গত ২৮ এপ্রিল উচ্চ আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর ৩০ এপ্রিল যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান মামলার প্রধান আসামি ও নিহতের জামাতা বাসেদ আলী পরশ। শামীমা বেগম অভিযোগ করেন, প্রধান আসামি মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই তার বোন ও অন্যান্য লোক মারফত পরিবারটিকে নানা ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এমনকি আসামিরা কারাগারে থাকা অবস্থায়ও বিভিন্ন মাধ্যমে তাদের হুমকি দিত বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

​চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি বিকেলে যশোর শহরের শংকরপুরের ইসহাক সড়কে নিজ বাসার সামনে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করা হয় নগর বিএনপির ৭ নম্বর ওয়ার্ডের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও গ্রীনল্যান্ড প্রোপার্টিজের মালিক আলমগীর হোসেনকে। মোটরসাইকেলে এসে বাসেদ আলী পরশ ও আসাবুল ইসলাম সাগরসহ কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

​এই ঘটনায় ৪ জানুয়ারি কোতোয়ালি থানায় মামলা হলে পুলিশ প্রধান দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে। আসামিরা আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছিলেন।

​ নিহতের স্ত্রী শামীমা বেগম আক্ষেপ করে বলেন, মামলার প্রধান আসামি ও তার বাবা আইন পেশার সঙ্গে যুক্ত থাকায় এবং প্রভাবশালী হওয়ায় আইনি ফাঁকফোকর দিয়ে মাত্র চার মাসের মাথায় জামিনে বেরিয়ে এসেছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, "প্রকাশ্যে দিবালোকে খুনের মামলার প্রধান আসামি এত দ্রুত জামিন পেলে আমরা সাধারণ মানুষ বিচার পাব কোথায়?"

​সংবাদ সম্মেলনে নিহতের স্বজন রেদওয়ান হোসেন, ইনামুল, তবিবুর রহমানসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তারা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।