
বুধবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সর্বাংহুদা গ্রামে দেখা যায়, নৌকায় চড়ে যাতায়াত করছে শিশু ও স্থানীয়রা। গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ প্রায় ১৫০টি কাঁচা-পাকা ঘরবাড়ি পানির নিচে ডুবে আছে। শুধু সর্বাংহুদাই নয়, পাশের রঘুনাথপুর, ঘিবা, ধান্যখোলা ও বোয়ালিয়া গ্রামসহ আরও কয়েকটি এলাকা একইভাবে প্লাবিত হয়েছে। দেড় মাস ধরে এসব গ্রামের মানুষ পানিবন্দী হয়ে চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে।
সর্বাংহুদা গ্রামের ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি মো. জিয়াউর রহমান বলেন, “ভারী বর্ষণ আর ভারতীয় পানি প্রবাহের কারণে গ্রামে বন্যা দেখা দিয়েছে। কিন্তু এখনো কোনো সরকারি সহায়তা পাইনি আমরা। অসহায় মানুষগুলো কষ্টে দিন কাটাচ্ছে।”
এ বিষয়ে শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ডা. কাজী নাজিব হাসান জানান, “সর্বাংহুদা, রঘুনাথপুর ও ঘিবা এলাকা প্রতিবছরই ভারতীয় উজানের পানির কারণে প্লাবিত হয়। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ইতোমধ্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৬ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং কয়েকটি ইউনিয়নে তা বিতরণ করা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, “বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষের মাঝে চাল, ডাল, তেল, লবণ, চিনি ও মসলাসহ শুকনো ত্রাণ বিতরণ চলছে। তবে পর্যাপ্ত ত্রাণ না থাকায় ধাপে ধাপে সব ইউনিয়নে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে, যাতে কোনো পরিবার বঞ্চিত না হয়।”
আপনার মতামত লিখুন :