• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
Techogram

শেখ হাসিনাকে ক্লোজ করতে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন লাগবে -মাহমুদুর রহমান


FavIcon
Swapnobhumi
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ১৬ নভেম্বর ২০২৫, ১১:৫৫
ছবির ক্যাপশন: ad728

স্টাফ রিপোর্টার,যশোর:
দৈনিক আমার দেশ সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান বলেছেন, আপা আর ফিরবে না ওই চ্যাপ্টার ক্লোজ।  তবে চূড়ান্তভাবে ক্লোজ করতে একটি শান্তিপূর্ণ, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন লাগবে। এটা করতে পারলে শেখ হাসিনার মতো ফ্যাসিস্টদের এ দেশে কবর রচনা হয়ে যাবে। আজ শনিবার বিকেলে যশোর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় মুখ্য আলোচকের বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি। 
‘জুলাই বিপ্লবোত্তর পরিস্থিতি ও আমাদের করণীয়’- শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে জ্ঞানচর্চাভিত্তিক সংগঠন প্রাচ্যসংঘ যশোর।
সংগঠনটির সুপ্রিম কাউন্সিল সদস্য আখতার ইকবাল টিয়ার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় মাহমুদুর রহমান আরো বলেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সেটা অবশ্যই ফ্রি এন্ড ফেয়ার হতে হবে। এটা নিশ্চিত করতে সরকারের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোকেও দায়িত্ব নিতে হবে। রাজনৈতিক দল গুলোকে জাতির কাছে ওয়াদা করতে হবে যে তারা কোন ধরনের কারচুপিতে অংশ নেবে না। এবং যে ফলাফল আসবে তা মেনে নেবেন। কারণ এই একটি নির্বাচনের মাধ্যমেই বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় ফিরে যেতে পারবে। যেটা আমাদের সকলের প্রত্যাশা। 
তিনি আরো বলেন, গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় ফিরে যেতে পারলে বাংলাদেশকে বিপর্যস্ত করার দিল্লি থেকে যে ষড়যন্ত্র চলছে তা পরাজিত হবে। এজন্য দিল্লি বাংলাদেশের একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চায় না। 
তিনি বলেন, দিল্লি থেকে দেশকে বিপর্যস্ত করার চেষ্টা চলছে। শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়ে গেলে তারা আর ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার সুযোগ পাবে না।
এজন্য সরকারের পাশাপাশি নাগরিক সমাজ, রাজনৈতিক দলসহ সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে পারলে একটি নির্বাচিত সরকারের অধীনে বাংলাদেশকে দেখতে পারবো।
মাহমুদুর রহমান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশের তরুণরা নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে জেগে উঠেছে। যারা জুলাই যুদ্ধে অংশ নিয়েছে, তারা প্রত্যেকেই এই পলিটিক্যাল পাওয়ারের অংশ। এদেরকে কেউ ‘ইগনোর’ করতে পারবে না। 
তিনি বলেন, যারা বা যে দল ভারতের দালালী করবে, তাদের প্রতিহত করতে হবে। ভারতের দালালী করে কেউ আর ক্ষমতায় যেতে পারবে না, থাকতেও পারবে না। তিনি বলেন, ভারতের প্রশ্নে কোন ছাড় হবে না।
আলোচনা সভায় বিশেষ আলোচক ছিলেন গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সদস্য ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হামিদ ও প্রাচ্যসংঘ যশোরের প্রতিষ্ঠাতা লেখক-গবেষক বেনজীন খান।