নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতি ঘোষণা ড. খলিলুর রহমানের
শাহরিয়ার সীমান্ত
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬:৪১
স্টাফ রিপোর্টার :
নতুন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে ‘জাতীয় স্বার্থ ও মর্যাদা’কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি স্পষ্ট জানান, বাংলাদেশ সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখবে, তবে অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো ধরনের বিদেশি হস্তক্ষেপ বরদাশত করা হবে না।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সরকারের বৈদেশিক নীতির মূল রূপরেখা অত্যন্ত পরিষ্কার—বাংলাদেশ ফার্স্ট। অর্থাৎ সবকিছুর ওপরে থাকবে দেশের জাতীয় স্বার্থ। আমরা আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করব এবং অন্য কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যেমন মাথা ঘামাব না, তেমনি আমাদের বিষয়েও কারও হস্তক্ষেপ প্রত্যাশা করি না।”
এদিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে পৃথক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূতরা। এর আগে গত দুই দিনে সৌদি আরব, চীন, ভারত ও পাকিস্তানের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করেন মন্ত্রী।
বৈঠক শেষে ড. খলিলুর রহমান বলেন, “আমি লক্ষ করেছি যে, বিদেশি প্রতিনিধিরা আমাদের নতুন সরকারের প্রতি গভীর আস্থা পোষণ করেছেন। তারা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রবল ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।”
মন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান সরকার প্রতিটি দেশের সঙ্গে পারস্পরিক লাভজনক ও মর্যাদাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায়। সম্পর্কের ভিত্তি হবে সমমর্যাদা এবং জাতীয় ডিগনিটি। সীমান্তে প্রাণহানি বা অন্য কোনো অমীমাংসিত দ্বিপাক্ষিক ইস্যু নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, এখন পর্যন্ত বৈঠকগুলো সৌজন্যমূলক ছিল, তবে ভবিষ্যতে সুনির্দিষ্ট ও স্পর্শকাতর বিষয়গুলো নিয়ে গভীর আলোচনা হবে।
জাতীয় মর্যাদা বজায় রেখে একটি গতিশীল ও সাহসী পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করাই বর্তমান প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন তিনি।
আপনার মতামত লিখুন :