ইউপি নির্বাচন শুরু আগামী ২১ জানুয়ারি: ভোট হবে ৫ ধাপে, চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা ইসির
শাহরিয়ার সীমান্ত
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫০
নিজস্ব প্রতিবেদক:
দেশের প্রায় ৪ হাজার ৩০০টি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাধারণ নির্বাচন আগামী বছরের ২১ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ২৭ মে’র মধ্যে সম্পন্ন করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সাতটি ধাপের বদলে এবার পুরো নির্বাচন পাঁচটি ধাপে অনুষ্ঠিত হবে এবং সবকটি ধাপের ভোটগ্রহণ হবে সপ্তাহের বৃহস্পতিবার।
সোমবার (১২ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশনের ১৩তম সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
নির্বাচন কমিশনার জানান, যেসব ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের আইনি সময়সীমা পার হয়ে গেছে বা এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মেয়াদ পূর্ণ হবে, সেগুলোতে ২৭ মে’র মধ্যে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন করা হবে।
ইউপি নির্বাচনের ৫ ধাপের সময়সূচি:
- ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী—
- প্রথম ধাপ: ২১ জানুয়ারি
- দ্বিতীয় ধাপ: ৪ ফেব্রুয়ারি
- তৃতীয় ধাপ: ২৯ এপ্রিল
- চতুর্থ ধাপ: ১৩ মে
- পঞ্চম ও শেষ ধাপ: ২৭ মে
ইসি সানাউল্লাহ জানান, নির্বাচনে কোনো একক অঞ্চলকে আলাদা না করে সব জেলায় একযোগে কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে ওভারডিউ বা মেয়াদ উত্তীর্ণ ইউনিয়ন পরিষদ ও জেলা সদর উপজেলাগুলোকে প্রথম দিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এছাড়া ১৭ জানুয়ারি বিশ্বইজতেমার আখেরি মোনাজাত ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুরোধ বিবেচনায় রেখে ২১ জানুয়ারিতে প্রথম ধাপের ভোট নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্মার্টকার্ড বিতরণ ও পার্সোনালাইজেশন সেন্টারের জটিলতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চুক্তি ও অডিট অবজেকশনের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে পূর্ণ সক্ষমতায় স্মার্টকার্ড প্রিন্টিংয়ের কাজ শুরু হবে।
ইভিএম প্রসঙ্গে তিনি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, “আমরা আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহৃত হবে না। বর্তমানে এগুলো ডিসপোজাল বা নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া চলছে। তবে দুর্নীতি দমন কমিশনসহ (দুদক) আইনি এভিডেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় প্রমাণ রেখে বাকি ইভিএমগুলো দ্রুততম সময়ে নিষ্পত্তি করা হবে।”
বর্তমানে ১২ নম্বর ফর্ম পূরণের মাধ্যমে মৃত ভোটারদের বাদ দেওয়ার যে জটিল নিয়ম রয়েছে, তা সহজ করতে নতুন একটি প্রস্তাবনা নিয়ে কাজ করছে ইসি। প্রথমে পাইলট প্রকল্প হিসেবে এটি কয়েকটি উপজেলা ও ইউনিয়নে চালু করা হবে। সফলতা পর্যালোচনার পর এটি সারাদেশে প্রয়োগ হবে।
আপনার মতামত লিখুন :