ফেলানী হত্যার সাথে জড়িতদের বিচারের দাবিতে যশোরে বিক্ষোভ
Swapnobhumi
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩:৪৬
স্টাফ রিপোর্টার, যশোর:
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ কর্তৃক সীমান্তে কিশোরী ফেলানী হত্যার বিচারের দাবিতে যশোরে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বিকাল সাড়ে ৪টায় যশোর জেলা এনসিপির উদ্যোগে শহরের ভৈরব চত্বরে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
যশোর জেলা এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী ড. মোহাম্মদ আল জাবীরের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে ছাত্রশক্তি, যুবশক্তি ও এনসিপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
এসময় মোহাম্মদ আল জাবীর বলেন, "ফেলানী হত্যার ১৫ বছর পার হলেও আজও ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাজনক। সীমান্তে নিরস্ত্র মানুষের ওপর এমন নির্মমতা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। অবিলম্বে সীমান্তে হত্যা বন্ধ এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে।"
এসময় বক্তরা বলেন, ফেলানীর মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে আন্তর্জাতিক আইন কার্যকর করতে হবে। ন্যায়বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে। এই বিচারহীনতা চলতে থাকলে এমন হত্যাকাণ্ড আরও ঘটবে। ফেলানী হত্যার বিচার না হওয়া মানবাধিকারের জন্য লজ্জাজনক। নিরস্ত্র মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। ১৫ বছর পেরিয়ে গেলেও ফেলানী হত্যার বিচার এখনো সম্পূর্ণ হয়নি। এর জন্য রাষ্ট্রযন্ত্র ও বিগত স্বৈরশাসক নামধারী শেখ হাসিনা দায়ী। ফেলানী হত্যার মতো নির্মম ঘটনার বিচার না হওয়া প্রমাণ করে সীমান্তে মানবাধিকারের কোনো নিশ্চয়তা নেই।
সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, যশোর জেলা এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী সাজিদ সরোয়ার, আশালতা, যশোর জেলা এনসিপির সদস্য ও দপ্তর সম্পাদক সজিবুর রহমান, আসমা খাতুন, সদস্য মো. আসিফ সোহান,যশোর সদর উপজেলা এনসিপির নেতা ফারহাদ, অভয়নগর উপজেলা এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কাদির, যুবশক্তির মুখ্য সংগঠক সোহানুর রহমান সোহান, যুবশক্তির সিনিয়র মুখ্য সংগঠক আল শিখান পীর, যুবশক্তির যুগ্ম সদস্য সচিব ও এনসিপির সদর উপজেলার নেতা আবদুল্লাহ আল নাদিম, যশোর জেলা যুবশক্তির সদস্য সচিব ফারিন আহমেদ, যুবশক্তির আহ্বায়ক ইমদাদ হোসেন, যশোর জেলা ছাত্রশক্তির প্রতিনিধি অমিত।
সমাবেশর সার্বিক সহযোগিতা ও নির্দেশনায় ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতা সাকিব শাহরিয়ার, এনসিপি কেন্দ্রীয় সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল), কেন্দ্রীয় সদস্য ইয়াইয়া জিসান, খালিদ সাইফুল্লাহ জুয়েল এবং সালমান জাবেদ।
সমাবেশ শেষে বক্তারা সীমান্তে হত্যা বন্ধ দোষীদের দ্রুত বিচার এবং মানবাধিকার রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানান।
আপনার মতামত লিখুন :