• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
Techogram

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরানোর আপিল শুনানি তৃতীয় দিনে


FavIcon
শাহরিয়ার সীমান্ত
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৫, ১১:৫৬
ছবির ক্যাপশন: ad728

 আইন ও আদালত ডেস্ক :  নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফেরানোর দাবিতে করা আপিলের তৃতীয় দিনের শুনানি আজ শুরু হয়েছে। প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে এই শুনানি শুরু হয়।

আজ আদালতে ইন্টারভেনর (হস্তক্ষেপকারী) হিসেবে নিজেদের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করছেন ব্যারিস্টার এহসান এ সিদ্দিকী।

এর আগে গতকাল (বুধবার) দ্বিতীয় দিনের শুনানি শেষ হয়। সেদিন রিটকারী সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারের পক্ষে শুনানি শেষ করেন আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া। গত ২১ অক্টোবর এই আপিলের শুনানি শুরু হয়।

দীর্ঘদিন ধরে চলা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে আইনি প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় এই আপিল শুনানি চলছে। গত ২৭ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে করা আবেদনের শুনানি শেষে আপিল করার অনুমতি দেয় আদালত।

এরপর ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার আপিল করেন। পরে নওগাঁর বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেনও আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করেন।

সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয়েছিল ১৯৯৬ সালে। ১৯৯৮ সালে এই সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়। হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট এই রিট খারিজ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করে রায় দেয়।

পরে এই রায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়। ২০০৫ সালে রিট আবেদনকারীপক্ষ আপিল করলে, আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন।

আপিল বিভাগের ওই রায়ের পরই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয়ে আনা হয় পঞ্চদশ সংশোধনী, যা ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস হয়।

আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে যারা আবেদন করেন তাদের মধ্যে রয়েছেন— ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ তোফায়েল আহমেদ, এম হাফিজউদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া ও জাহরা রহমান। পরবর্তীতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারও আলাদাভাবে রিভিউ আবেদন করে