• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
Techogram

শার্শায় এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা


FavIcon
Swapnobhumi
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ০৯ নভেম্বর ২০২৫, ৬:১৬
ছবির ক্যাপশন: ad728

মাসুদুর রহমান শেখ, শার্শা:
যশোরের বেনাপোলে’ এসএসসি-২০২৫ এ জিপিএ-৫ প্রাপ্ত উপজেলার ১৮৪ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিয়েছেন শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় বেনাপোল পৌর বিয়েবাড়ি কমিউনিটি সেন্টারে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এ অনুষ্ঠানে শুধু শিক্ষার্থী নয়-তাদের প্রেরণাদাতা শিক্ষক-শিক্ষিকাদেরও ফুলেল শুভেচ্ছা ও উপহার তুলে দিয়ে সম্মানিত করে সমাজে শিক্ষার প্রতি এক ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তরুন এ রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব লিটন।
‘তোমরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ’-এ স্লোগানকে প্রতিপাদ্য করে আয়োজিত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন দর্শনা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ শফিকুল ইসলাম এবং সঞ্চালনা করেন বেনাপোল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজ্জোহা সেলিম
জানা যায়, শার্শা উপজেলার ৩৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও গার্লস স্কুল এবং ৩৬টি মাদ্রাসার জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১৮৪ শিক্ষার্থীকে আলহাজ¦ নুরুজ্জামান লিটনের ব্যক্তিগত উদ্যোগে সম্মাননা ক্রেস্ট, ফুলেল শুভেচ্ছা ও শিক্ষবৃত্তি প্রদান করা হয়। একইসাথে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের প্রদান করা হয় ফুল ও উপহার সামগ্রী। এমন সার্থক উদ্যোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে আনন্দ ও কৃতজ্ঞতার আবেগ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন, সহকারী পুলিশ সুপার আরিফ হোসেন, শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিয়াজ মাখদুম, বেনাপোল ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর কামরুজ্জামানসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক, পেশাজীবী সংগঠন ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের সাফল্য ধরে রাখতে পরিবার, বিদ্যালয় ও সমাজের সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। একইসাথে মেধা উন্নয়নে স্বীকৃতি ও উদ্দীপনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সংবর্ধনার আয়োজক আলহাজ¦ নুরুজ্জামান লিটন তার বক্তব্যে বলেন, কৃতি শিক্ষার্থীরা দেশের সম্পদ। “আজ যাদের সম্মানিত করা হলো-তাদের দিকে তাকিয়ে আছে পুরো বাংলাদেশ। এরা শুধু নিজেদের নয়, দেশের ভবিষ্যৎ বহন করবে। শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। তাদের এগিয়ে নিতে উৎসাহ দেওয়া আমার সামাজিক দায়িত্ব। তারা যেন আগামীতেও তাদের সাফল্য ধরে রেখে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যায়-এই প্রত্যাশাই আমার।” ভবিষ্যতেও শিক্ষার উন্নয়নে তার এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।”
সংবর্ধনায় সম্মানিত শিক্ষক সমাজ ও শিক্ষার্থীরা এ উদ্যোগটির প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, বেনাপোলের শিক্ষাঙ্গনে ব্যতিক্রমধর্মী এ হৃদয়ছোঁয়া আয়োজন ও সম্মাননা কেবল পুরস্কার নয়-এটি আমাদের দায়িত্ব আরও বড় করে দিলো। তার এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় আরও মনোযোগী, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং উদ্যমী হতে অনুপ্রাণিত করবে।