• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
Techogram

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায়িত্বে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ফেরানো অসম্ভব: নাহিদ ইসলাম


FavIcon
সাইফুল্লাহ খালিদ
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৯
ছবির ক্যাপশন:

স্বপ্নভূমি ডেস্ক:

বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায়িত্বে রেখে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দলের কার্যালয়ে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সাম্প্রতিক বিষয়াবলি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিভিন্ন সময় অসংলগ্ন কথা বলছেন এবং দায়িত্ব পালনে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন। সংস্কার ইস্যুতেও তিনি জাতির সঙ্গে প্রতারণামূলক কথা বলেছেন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির জন্য সরকার, প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দায়ী।

বিএনপি সরকার নির্বাচিত হওয়ার পর আইনশৃঙ্খলার পরিবেশ আরও অবনতি হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, সরকার তাদের নিজস্ব দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না।


রাজধানীতে রাতের আঁধারে প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে মিরপুরের রাড্ডা সেন্টার গুঁড়িয়ে দেওয়া এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় রাষ্ট্রীয় ও দলীয় মদদে এসব ঘটেছে। বর্তমানে সালমান মুক্তাদিরের ঘটনায় অপরাধীদের না ধরে ভিক্টিমকেই দোষারোপ করা হচ্ছে।

সারাদেশে এক ধরনের নৈরাজ্য চলছে উল্লেখ করে হবিগঞ্জে সিএনজি স্ট্যান্ড দখল এবং সাভারে মাদ্রাসা দখলের চেষ্টার ঘটনা তুলে ধরা হয়।

তিনি আরও বলেন, একজন প্রতিমন্ত্রী রিসেন্টলি বললেন যে সকল চাকরি, টেন্ডার, সবকিছু দলের লোকেরা পাবে। তার সবচেয়ে স্পষ্ট উদাহরণ আমরা দেখলাম, প্রাইমারি নিয়োগ পরীক্ষায় সেখানে প্রায় আড়াই হাজার জনকে চাকরিপ্রার্থীকে বাদ দেওয়া হয়েছে। যাদের মধ্যে বেশিরভাগেরই কোনো ধরনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বা সন্ত্রাসী সংগঠন বা রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম, এ ধরনের কোনো সুস্পষ্ট তথ্য-প্রমাণ নেই। এমনকি আমাদের অনেক যারা আন্দোলনের সহযোদ্ধা ছিলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের যারা আমাদের সহযোদ্ধা ছিলেন, সহপাঠী ছিলেন, সেরকম অনেককে বাদ দেওয়া হয়েছে। গতকাল শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, তাদেরকে পর্যায়ক্রমে আবার নেওয়া হবে বা সুযোগ দেওয়া হবে। সকলের আন্দোলনের, প্রতিবাদের মুখে শিক্ষামন্ত্রী এই কথাটি বলেছেন।

‌‌‘আড়াই হাজার বাদ দেওয়া হয়েছে, কোনো সুস্পষ্ট তথ্য-প্রমাণ ছাড়া এখানে একজনকেও বাদ দেওয়া যাবে না। প্রত্যেককেই যথাযথভাবে, সে যদি যোগ্য হয়, পরীক্ষায় টিকে এবং তার বিরুদ্ধে যদি কোনো সন্ত্রাসী বা রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রমের অভিযোগ থাকে, তাহলে তাকে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ার নামে এই যে হয়রানি করা বা প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়া, এই প্রক্রিয়া থেকে সরকারকে সরে আসতে হবে।’

চাকরিপ্রার্থীদের পাশে জাতীয় নাগরিক পার্টি আছে জানিয়ে তিনি বলেন, যদি একজন চাকরিপ্রার্থীকে অন্যায়ভাবে এই চাকরি প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়া হয়, আমরা তার জন্য লড়ব, আমরা তার জন্য কথা বলব, আমরা তার জন্য আন্দোলনে যাব, প্রয়োজনে মাঠে থাকব। এনসিপির কার্যালয়, অফিস তাদের জন্য খোলা আছে। আমরা সবাইকে বলব, যদি আপনারা কেউ মনে করেন আপনাদের অন্যায়ভাবে বাদ দেওয়া হচ্ছে এবং সেরকম তথ্য-প্রমাণ যদি আপনারা দেখাতে পারেন, জনগণের সামনে, ইনশাআল্লাহ আমরা আপনাদের স।িউজনি োট করে সাজিয়ে দাও ঙ্গে থাকব।