• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
Techogram

যশোরে কিশোরী কেয়া খাতুনকে হত্যা: আড়াই বছর পর পিতার মামলা


FavIcon
Simanto
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 6, 2025 ইং
ছবির ক্যাপশন: ad728

স্বপ্নভূমি ডেস্ক : যশোরে ১৬ বছর বয়সী কেয়া খাতুনকে হত্যার অভিযোগ এনে আড়াই বছর পর আদালতে মামলা করেছেন তার পিতা কামাল হোসেন। অভিযোগে তিনি বলেন, স্ত্রী ও এক আত্মীয়ের পরকীয়া সম্পর্ক দেখে ফেলায় মেয়েকে হত্যা করে আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়েছিল।

২০২৩ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি যশোর শহরের উপশহর এলাকায় কেয়াকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তখন ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে প্রচার করা হয়। তবে ২০২৫ সালের ৩ আগস্ট কামাল হোসেন যশোরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে খোরশেদ আলমকে একমাত্র আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, করোনাকালে পেশাগত কারণে ঢাকায় অবস্থানরত কামাল হোসেন স্ত্রী ও সন্তানদের যশোরে রেখে যান। এই সময় স্ত্রী ও আসামি খোরশেদ আলমের মধ্যে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কেয়া বিষয়টি জেনে ফেললে প্রতিবাদ জানায় এবং বাবাকে জানানোর হুমকি দেয়। এরপরই তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।

ঘটনার রাতে কেয়ার মা তাকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তখন কষ্ট না দিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই তাকে দাফন করা হয়।

পরে এলাকাবাসীর মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের পেছনের ঘটনা জানতে পেরে তিনি থানায় অভিযোগ দেন, কিন্তু কোতোয়ালি থানা মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। বাধ্য হয়ে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।

এজাহারে আরও বলা হয়, হত্যার পর খোরশেদ আলম কেয়ার মায়ের কাছ থেকে পাঁচ-ছয় ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যান, যা নিয়ে পরবর্তীতে বিরোধও সৃষ্টি হয়।