• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
Techogram

যশোরে আলমগীর হত্যা: জামাই পরশসহ ২ জন গ্রেফতার


FavIcon
শাহরিয়ার সীমান্ত
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ০৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৩৪
ছবির ক্যাপশন: ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক :
যশোরের শংকরপুরে চাঞ্চল্যকর আলমগীর হোসেন (৫৫) হত্যা মামলার এজাহারনামীয় দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন— নিহতের জামাতা বাসেদ আলী পরশ (২৯) এবং তার সহযোগী আসাবুল ইসলাম সাগর (৫২)।

গত ৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে যশোর কোতয়ালী মডেল থানাধীন শংকরপুর এলাকার ইসহাক সড়কের পাশে সাবেক কাউন্সিলর নয়নের অফিসের সামনে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। ভিকটিম আলমগীর হোসেন মোটরসাইকেল যোগে যাচ্ছিলেন। এ সময় অজ্ঞাতনামা একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী তাকে অনুসরণ করে চলন্ত অবস্থায় মাথায় লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হত্যাকাণ্ডের পর যশোর পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ডিবি এবং থানা পুলিশের পাঁচটি চৌকস টিম মাঠে নামে। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ, আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এজাহারনামীয় দুই আসামিকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তথ্য বিশ্লেষণে জানা গেছে, ধৃত বাসেদ আলী পরশ নিহত আলমগীর হোসেনের জামাতা। দীর্ঘ দিন ধরে তাদের মধ্যে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের জেরে পরশ এর আগেও তার শ্বশুরকে বিভিন্ন সময় প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, জমিজমা সংক্রান্ত এই বিরোধের জেরে আসামী পরশ তার সহযোগী সাগরের সহায়তায় বহিরাগত ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের দিয়ে এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছেন।

১. বাসেদ আলী পরশ (২৯), পিতা- জুলফিকার আলী। ২. আসাবুল ইসলাম সাগর (৫২), পিতা- মৃত মতিন দারোগা। উভয়ই যশোর কোতয়ালী থানাধীন শংকরপুর ইসহাক সড়ক এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে জোর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।