• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
Techogram

যশোরে ইন্টারন্যাশলাল পিস স্কুলের বর্ণাঢ্য বিজ্ঞানমেলা: উদ্ভাবনী মডেলে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা


FavIcon
শাহরিয়ার সীমান্ত
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬, ১৭:৫৩
ছবির ক্যাপশন: ad728

স্টাফ রিপোর্টার :
শিক্ষার্থীদের আধুনিক বিজ্ঞানভাবনা, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশে যশোরে এক বর্ণাঢ্য বিজ্ঞানমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেল ৩টা থেকে রাত পর্যন্ত শহরের পৌর কমিউনিটি সেন্টারে ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজের উদ্যোগে এ ব্যতিক্রমধর্মী মেলার আয়োজন করা হয়।

মেলায় বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীরা নিজেদের উদ্ভাবিত বিজ্ঞানভিত্তিক প্রকল্প, প্রযুক্তিনির্ভর মডেল ও গবেষণাধর্মী উপস্থাপনা প্রদর্শন করে উপস্থিত অতিথি, অভিভাবক ও দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান জি এম আবু ফয়সালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোরের চেয়ারম্যান প্রফেসর ফারুখে আযম মুহাম্মদ আব্দুস ছালাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা বোর্ডের সচিব ড. মো. আব্দুল মতিন, উপ-সচিব (প্রশাসন ও সংস্থাপন) শেখ আমিনুল ইসলাম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. কামাল আহমেদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মো. সারাফাত হোসেন।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর ফারুখে আযম বলেন, “বর্তমান বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হলে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষার্থীদের অনুসন্ধিৎসু মনোভাব ও উদ্ভাবনী শক্তি বিকশিত করতে এই বিজ্ঞানমেলা অনন্য ভূমিকা রাখবে, যা ভবিষ্যতের দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে সহায়ক হবে।”

বিশেষ অতিথি শিক্ষা বোর্ডের সচিব ড. মো. আব্দুল মতিন বলেন, বিজ্ঞান শিক্ষা কেবল পাঠ্যবইয়ে সীমাবদ্ধ না রেখে হাতে-কলমে গবেষণা ও বাস্তবমুখী শিক্ষা জোরদার করতে হবে।

অনুষ্ঠানে ‘রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট ফর ইনোভেশন’ (রেইন)-এর প্রতিষ্ঠাতা সেখ নাঈম হাসান মুন এবং অভিভাবক উম্মে সালমা বক্তব্য রাখেন। তাঁরা বলেন, শুধু পরীক্ষার ফল নয়, সন্তানদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি ও প্রথাগত শিক্ষার বাইরে মেধা বিকাশে এ ধরনের নিয়মিত আয়োজন অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

সভাপতির বক্তব্যে জি এম আবু ফয়সাল জানান, শিক্ষার্থীদের আধুনিক, নৈতিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা দেওয়াই তাঁদের মূল লক্ষ্য এবং ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিরা বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন এবং শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবিত প্রকল্পের ভূয়সী প্রশংসা করেন। পরে অংশ নেওয়া খুদে বিজ্ঞানীদের মেধা ও প্রচেষ্টাকে উৎসাহিত করতে সনদ ও পুরস্কার প্রদান করা হয়। দিনব্যাপী এ মেলায় বিপুলসংখ্যক অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে এক প্রাণবন্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়।