• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
Techogram

যশোরের আলোচিত যুব মহিলা লীগ নেত্রী মাহমুদার বিরুদ্ধে মামলা, কারাগারে প্রেরণ


FavIcon
শাহরিয়ার সীমান্ত
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬, ১৩:৪৭
ছবির ক্যাপশন: ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক
 কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া সেই যুব মহিলা লীগ নেত্রী মাহমুদা খাতুন এর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। যশোর সদরের বারীনগর বানিয়ালি গ্রামের ইউসুফ আলী বিশ্বাসের ছেলে আব্দুস সোবহান শনিবার রাতে কোতোয়ালি থানায় এ মামলা করেছেন। আসামি মাহমুদা খাতুন সদরের বসুন্দিয়া মোড়ের মৃত ডাক্তার মনসুর আলীর মেয়ে। রোববার আটক মাহমুদাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। 

মামলার অভিযোগে জানা গেছে , আসামি মাহমুদা খাতুন যশোরের ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরন্সে কোম্পানিতে চাকরি করতো। সেই সময় তার সাথে পরিচয় হয়। পরে সেই চাকরি ছেড়ে দিয়ে মাইডাস ফাইন্যান্সিং লিমিটেড নামক একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চাকরি নিয়ে ঢাকায় চলে যান মাহমুদা। তাকেসহ বিভিন্ন লোকজনকে তার প্রতিষ্ঠান থেকে মোটা অংকের লোন পাইয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। লোনের বিপরীতে শতকরা ২ভাগ হারে লভ্যাংশ দিতে হবে। ১০/১২ বছর পর লোন পরিশোধ হবে। তিনি তার কথায় বিশ্বাস স্থাপন করেন এবং বিভিন্ন লোকজনকে বিষয়টি জানান। এরপর ২০২৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত যশোর শহরের চৌরাস্তা রিচম্যান শোরুমে বসে ৩২ জনের কাছ থেকে ৭০ লাখ টাকা গ্রহণ করেন মাহমুদা। ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত লোন পাইয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। প্রত্যেকের কাছ থেকে ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি, ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার এবং তিন চারটি করে ফাঁকা চেক নিয়ে নেন। টাকা নেয়ার এক মাসের মধ্যে লোন পাইয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু টাকা নেয়ার পর সে আর লোন দিতে পারেননি। তার সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে তিনি কারোর ফোন রিসিভ করেনা।  নানা তালবাহানা করে। যশোরও তার দেখা মেলে না। 

৭ মার্চ সকালে যশোর শহরের দড়াটানায় খেলাঘর নামক দোকানের সামনে তাকে পেয়ে ৭০ লাখ টাকা ফেরত যাওয়া হয়। কিন্তু মাহমুদা টাকা দেবে না বলে জানান। তার যশোরে আগমনের সংবাদটি ওই ৩২ জন ছাড়াও আরো অনেকে জানতে পারে। পরে দেখা গেছে শত শত মানুষের কাছ থেকে তিনি মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। ঘটনাটি পুলিশকে বললে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে তার ছেলে তন্ময় জামানসহ আটক করে থানায় নিয়ে আসে। শত শত ভুক্তভোগী থানায় এসে পুলিশের কাছে অভিযোগ দেয়। টাকা উদ্ধার করতে না পেরে  আব্দুস সোবহান থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।  শনিবার রাতে অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করে পুলিশ। 

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ওসি ফারুক আহমেদ জানান,মাহমুদা খাতুনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। উপ-পরিদর্শক আশরাফুল আলমকে তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।