• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
Techogram

ভোটের আগের দিনই থমকে গেল শাকসু নির্বাচন: হাইকোর্টে আপিলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন


FavIcon
শাহরিয়ার সীমান্ত
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫:৬
ছবির ক্যাপশন: ad728

স্বপ্নভূমি ডেস্ক :
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে চরম নাটকীয়তা সৃষ্টি হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ভোটগ্রহণের কথা থাকলেও উচ্চ আদালতের নির্দেশে তা চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। তবে হাইকোর্টের এই স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে আজ বিকালেই আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

আদালতের নির্দেশনা ও রিট আবেদন আজ সোমবার দুপুরে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শাকসু নির্বাচন চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করার আদেশ দেন। এর আগে গতকাল রোববার শাকসু নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মমিনুর রশিদ শুভসহ তিন শিক্ষার্থী হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করেন। রিটে উল্লেখ করা হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশন সব ধরনের নির্বাচন বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিলেও শাকসু নির্বাচনের প্রস্তুতি চালানো হচ্ছে, যা আইনসংগত নয়।

আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসাইন লিপু ও অ্যাডভোকেট মো. সাদ্দাম হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।

প্রশাসনের পাল্টা আবেদন হাইকোর্টের আদেশের পরপরই সক্রিয় হয় শাবিপ্রবি প্রশাসন। বিকেলে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ স্থগিত করার আবেদন জানানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. সাদ্দাম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, যথাসময়ে এই আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচন ও প্রচারণার চিত্র তফসিল অনুযায়ী, ২০ জানুয়ারি সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গতকালও প্রার্থীদের প্রচারণার সময় ১২ ঘণ্টা বাড়িয়েছিল কর্তৃপক্ষ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবুল মুকিত মোহাম্মদ মোকাদ্দেছ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, নির্বাচন কমিশনের অনুমতি সাপেক্ষে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। তবে উচ্চ আদালতের আজকের আদেশের পর ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম জানান, "আপাতত আগামীকাল নির্বাচন হচ্ছে না। চার সপ্তাহ পর যেকোনো দিন এটি অনুষ্ঠিত হতে পারে।"

দীর্ঘদিন পর আয়োজিত শাকসু নির্বাচন নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছিল। এখন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের করা আপিল আবেদনের ওপর সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে আছেন সংশ্লিষ্ট সকলে।