• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
Techogram

প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তরে ঢাকা-টোকিও চুক্তি সই


FavIcon
শাহরিয়ার সীমান্ত
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৪১
ছবির ক্যাপশন: ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর সংক্রান্ত একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির ফলে দুই দেশের মধ্যকার কৌশলগত অংশীদারিত্ব ও দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব এক নতুন উচ্চতায় উন্নীত হলো।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের (এএফডি) সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই দ্বিপক্ষীয় চুক্তিটি সম্পন্ন হয়। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসান। জাপানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইডা শিনিচি।

সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সাল থেকে উভয় পক্ষের নিবিড় আলোচনার পর এই চুক্তিটি চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই চুক্তি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের দূরদর্শী কূটনীতির ফসল, যা দেশের প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়াকে আরও বেগবান করবে। এটি জাতিসংঘ সনদের নীতিগুলোর সাথে সংগতি রেখে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখবে।
  • প্রযুক্তি হস্তান্তর: উন্নত প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম অধিগ্রহণ এবং যৌথ গবেষণা ও উন্নয়নে একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি হবে।
  • নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ: হস্তান্তরিত সরঞ্জাম বা প্রযুক্তি যেন তৃতীয় কোনো পক্ষের কাছে না যায় বা অপব্যবহার না হয়, তার আইনি কাঠামো নিশ্চিত করা হয়েছে।
  • বিশেষজ্ঞ বিনিময়: দুই দেশের মধ্যে সামরিক বিশেষজ্ঞ বিনিময় বৃদ্ধি পাবে, যা বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে।

জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই চুক্তিটি দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম হস্তান্তরের বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো তৈরি করবে। এটি জাপানের নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্পের উৎপাদন ও প্রযুক্তিগত ভিত্তি বজায় রাখতে এবং মানোন্নয়নেও সহায়ক হবে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই চুক্তির ফলে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ ও জাপানের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও গভীর হবে। এটি কেবল দুই দেশের সামরিক সক্ষমতাই বাড়াবে না, বরং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।