যশোরে নৈশ্যপ্রহরী হত্যা মামলার চার্জশিট, অভিযুক্ত ১১
Swapnobhumi
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫:১৮
স্টাফ রিপোর্টার,যশোর:
যশোর সদরের ছোট বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের নৈশ্যপ্রহরী রহিম লস্কর হত্যা মামলায় ১১ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিয়েছে পিবিআই। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ না পাওয়ায় নুর ইসলাম আলোর অব্যহতির আবেদন করা হয়েছে চার্জশিটে। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন পিবিআই’র তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক মোস্তফা হাবিবুল্লাহ।
অভিযুক্ত আসামিরা হলো, যশোর সদরের কয়েতখলি গ্রামের মহসিন হোসেন ওরফে হোসেন আলীর ছেলে রাসেল হোসেন, সাইফুল ইসলাম ও তার ছেলে আনোয়ার হোসেন, আবু বক্কার সিদ্দিকীর ছেলে আশানুর রহমান ওরফে হাসানুজ্জামান, নুর ইসলামের ছেলে হাবিল ওরফে বার্মিজ, মৃত আমিন উদ্দিনের ছেলে মামুন, মৃত আব্দুল আজিজ মোল্যার ছেলে মুছা করিম, শহিদুল ইসলামের ছেলে সুমন, ইছালী গ্রামের মৃত মতলেবের ছেলে রাসেল, ছোট বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত ওমর আলীর ছেলে আয়ুব আলী মোল্যা ও হাশিমপুর বাজারপাড়ার রবিউল ইসলামের ছেলে মাসুম হোসেন।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, নিহত রহিম লস্কার কৃষিকাজ ও আগে কায়েতখালী বাওড়ে নৈশ্যপ্রহরী হিসেবে কাজ করতেন। আসামিরা প্রায় বাওড় থেকে মাছ চুরি করে নিয়ে যেত। রহিম লস্কর বাধা দেয়ায় তাকে খুন জখমের হুমকি দিত। ২০২৩ সালে আসামিরা বাওড়ে মাছ শুরু করে। বর্ষার সময় বাওড়ের পাশের জমিতে মাছ ধরতে যেত রহিম লস্কার।
৬ জুলাই রাতে রহিম লস্কারসহ গ্রামের কয়েকজন কয়েতখালি বাওড়ের পাশের জমিতে মাছ ধরতে যায়। গভীর রাতে আসামিরা বুঝতে পেরে তাদের ধাওয়া করলে অন্যরা পালিয়ে গেলেও রহিম লস্করকে ধরে তারা মারপিট করে হত্যা করে লাশ ফেলে চলে যায়। পরদিন সকালে স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে রহিম লস্করের লাশ সনাক্ত করে স্বজনেরা। ৯ জুলাই এ ঘটনায় নিতের স্বামী শুকুরন নেছা বাদী হয়ে ১২ জনের নামউল্লেখ করে কোতয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটি প্রথমে থানা পুলিশ পরে পিবিআই তদন্তের দায়িত্ব পায়।
দীর্ঘ তদন্ত শেষে আটক আসামিদের দেয়া তথ্য ও সাক্ষীদের বক্তব্যে হত্যার সাথে জড়িত থাকায় ওই ১১ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। চার্জশিটে কয়েকজন উচ্চ আদালত থেকে অন্তবর্তী ও কয়েকজন আটক হয়ে কারাগারে আটক আছে বলে চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :