• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
Techogram

কেশবপুরে হাডুডু খেলায় অতর্কিত হামলায় ছাত্রদলের আহ্বায়কসহ আহত ১০


FavIcon
সাইফুল্লাহ খালিদ
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৫, ৬:০৯
ছবির ক্যাপশন: ad728


কেশবপুর প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য হাডুডু খেলার অনুষ্ঠানে অতর্কিত হামলায় উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়কসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাঁজিয়া ইউনিয়নের সাগরদত্তকাটি গ্রামের মধ্যপাড়ায় হাডুডু খেলার পুরস্কার বিতরণের সময় এ ঘটনাটি ঘটে। 

আহতদের মধ্য থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৯ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আজিজুর রহমান, বিদ্যানন্দকাটির লালপুরের কামরুজ্জামান (২৮), মির্জাপুর গ্রামের আবু মুসা (২০), পাত্রপাড়া গ্রামের নয়ন (২১), সাগরদত্তকাটি গ্রামের সুমন হোসেন (২৫), মইনুল ইসলাম (২৫), মনোহরনগর গ্রামের আলী হাসান, মজিদপুর গ্রামের রিয়াদ হোসেন (২২) ও মাদারডাঙ্গা গ্রামের মাসুদ হোসেন (২৩)। রাতে আহতদের কয়েকজনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এ ঘটনার পর থেকে এলাকায় চলছে উত্তেজনা।


খেলা দেখতে আসা একাধিক দর্শক বলেন, খেলায় অতিথি নিয়ে আয়োজক কমিটির দু’গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়। পাঁজিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মকবুল হোসেন মুকুল শনিবার দুপুরে আট দলীয় হাডুডু টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করার পরই আয়োজক কমিটির একটি অংশ আপত্তি জানিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি করতে থাকে। একপর্যায়ে অনুষ্ঠানের মঞ্চে থাকা মকবুল হোসেন মুকুলকে উদ্দেশ্য করে আয়োজক কমিটির একদল যুবক অশালীন কথাবার্তা বলতে থাকে। পরে মুকুল মঞ্চ থেকে চলে যান। 
সন্ধ্যায় ওই হাডুডু খেলার ফাইনাল দেখার জন্য মঞ্চে আসেন উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আজিজুর রহমান। ফাইনালে উপজেলার বুড়ুলি দল ২-০ ব্যবধানে খুলনার চুকনগর দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। খেলায় চ্যাম্পিয়ন দলের নিকট পুরস্কার হিসেবে ফ্রিজ হস্তান্তর করার সময় একদল যুবক এসে অতর্কিত হামলা চালান। এ সময় মঞ্চে থাকা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আজিজুর রহমানসহ আরও কয়েকজন আহত হন। হামলার সময় দর্শকরা ভয়ে দ্বিকবিদিক ছোটাছুটি করতে থাকে। এ ঘটনায় ওই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।


খেলার রেফারি শওকত হোসেন বলেন, সুষ্ঠুভাবে হাডুডু খেলা স¤পন্ন হয়েছে। পুরস্কার বিতরণের সময় ওই ঘটনা ঘটে। হাডুডু টুর্নামেন্টের সভাপতি রেজাউল করিম সরদার বলেন, খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণের সময় হামলা শুরু হলে দ্রুত এলাকা ত্যাগ করি।

পাঁজিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মকবুল হোসেন মুকুল বলেন, কিছু যুবক পুরস্কার বিতরণের সময় হামলা চালিয়েছে। ওই সময় আমি ছিলাম না। আর এ ঘটনাটি কোন রাজনৈতিক বিষয়ও না।

এ ব্যাপারে উপজেলার পাঁজিয়া ইউনিয়নের বিট পুলিশিংয়ের সহকারী কর্মকর্তা সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মামুন বলেন, খেলার অনুষ্ঠানে মারামারির ঘটনায় এখনো কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।