
চলমান পরিস্থিতিতে দুই বিকল্পের মধ্যে বাংলাদেশের dilema—চুক্তি মেনে হেলিকপ্টার আনলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক টানাপোড়েন তৈরি হতে পারে, আবার চুক্তি বাতিল করলে বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। হেলিকপ্টার দুটি এমআই-১৭১ এ ২ মডেলের এবং সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান জেএসসি রাশিয়ান হেলিকপ্টার্স।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত ৩১ জুলাই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি প্রেরণ করে কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজে আনার জন্য। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আইন মন্ত্রণালয় হেলিকপ্টার চুক্তি পর্যালোচনা করছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের সূত্র জানায়, হেলিকপ্টার দুটির রক্ষণাবেক্ষণও চলছে এবং চুক্তি বাতিল হলে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক আরবিট্রেশনের মাধ্যমে পুরো অর্থ দাবি করতে পারে। হেলিকপ্টার দুটি বেসামরিক কাজে ব্যবহার হবে এবং অন্য কাউকে সরবরাহের সুযোগ নেই।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞাভুক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে পণ্য আনা ঝুঁকিপূর্ণ। বাংলাদেশ টিকফার (বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা ফোরাম চুক্তি) মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি নিয়ে হেলিকপ্টার আনার চেষ্টা করতে পারে। সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবির উল্লেখ করেছেন, হেলিকপ্টার বেসামরিক কাজে ব্যবহৃত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র হয়তো সহযোগিতা করবে।
উল্লেখ্য, এই চুক্তি ২০২১ সালে হয়, বিএসএফ পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে, এবং সরকারের পূর্বের অনুমোদনের ভিত্তিতে তা বাস্তবায়ন করা হয়। তবে রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞার কারণে এখন বাংলাদেশ এই দুটি হেলিকপ্টার আনার জন্য কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমাধান খুঁজছে।
আপনার মতামত লিখুন :