• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
Techogram

কেশবপুরে অগ্নিকান্ডে নারী-শিশুসহ আহত ৭


FavIcon
Simanto
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 15, 2025 ইং
ছবির ক্যাপশন: ad728

কেশবপুর প্রতিনিধি : যশোরের কেশবপুরে একটি বাড়িতে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে নারী ও শিশুসহ ৭ জন আহত হয়েছেন। বৃহ¯পতিবার রাতে পৌর শহরের মাছ বাজার সংলগ্ন হুমাইরা ভিলাতে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা থেকে। আগুনে দগ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন- ওই ভবনের ভাড়াটিয়া গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়া উপজেলার বান্ধাবাড়ী গ্রামের সবুজ শেখ (৪২), দুই ছেলে রবিউল শেখ (১৯), রমজান শেখ (১৩), দুই মেয়ে তাসনিয়া (৬) তাসফিয়া (২ বছর) ও বোন ঝুমুর বেগম (৩৮) এবং ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার চরনাজিমউদ্দিন গ্রামের আব্বাস উদ্দীন (৩৯)।
এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে কেশবপুর পৌর শহরের মাছ বাজার সংলগ্ন মাছ আড়তদার ব্যবসায়ী মাহাবুর রহমানের হুমাইরা ভিলা নামক তিনতলা ভবনের নিচতলার একটি ইউনিটে ককশিট ও প্লাস্টিকের ক্যারেটের গোডাউনে শ্রমিকেরা কাজ করার সময় সিগারেটের আগুন থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত ঘটে। ককশিট ও প্লাস্টিকের ক্যারেটে আগুন লেগে মুহূর্তেই ভবনে আগুন ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততক্ষণে অগ্নিদগ্ধ হয়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় থাকা ৭ জন আহত হন। আহতদের হাত, মুখ, পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে পুড়ে যায়। আহতদেরকে উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে তারা উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে যান। 
কেশবপুর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল স্টেশনের লিডার নাজিম উদ্দীন বলেন, খবর পেয়েই ফায়ার সার্ভিসের দুইটা ইউনিটের কর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ঘণ্টাখানেকের চেষ্টায় ওই বিল্ডিংয়ের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনাসহ আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। বিল্ডিংয়ের নিচের ইউনিটে বৈদ্যুতিক সংযোগ না থাকায় শর্ট সার্কিটে আগুন লাগার সম্ভাবনা নেই। কিভাবে আগুনের সূত্রপাত সেটা সঠিক জানা যায়নি। তবে, শ্রমিকদের সিগারেটের আগুনে আগুনের সুত্রপাত হতে পারে। 
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার অচিন্ত কুমার পাল বলেন, রাতে হাসপাতালে ৬ জনকে আনা হয়। এখান থেকে চিকিৎসা শেষে তারা ঢাকায় বার্ন ইউনিটে গিয়ে ভর্তি হয়েছেন। #