• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
Techogram

অবৈধ পার্কিং ও কাগজপত্র না থাকায় অ্যাম্বুলেন্স চালককে জরিমানা


FavIcon
সাইফুল্লাহ খালিদ
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ৬ মে ২০২৬, ৬:৩২
ছবির ক্যাপশন: ad728

নিজেস্ব প্রতিনিধি:

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে দালালচক্র, অবৈধ পার্কিং ও বিভিন্ন অনিয়ম রোধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (১২ মে ) সকাল ১১টা ৩৫ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে হাসপাতাল এলাকায় তৎপরতা সৃষ্টি হয়। 

অভিযানের সময় হাসপাতালের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান ঘুরে দেখা হয় এবং রোগী ও স্বজনদের কাছ থেকেও বিভিন্ন তথ্য নেওয়া হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বাসুদেব কুমার মালো এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশিস কুমার দাস। এসময় উপস্থিত ছিলেন যশোর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) মো. আহসান কবির (বাপ্পি) ও এসআই মো. হালিম (সশস্ত্র) সহ পুলিশের তিন সদস্য।

অভিযান চলাকালে হাসপাতাল এলাকায় রোগী বহনকারী একটি অ্যাম্বুলেন্স অবৈধভাবে পার্কিং করে রাখা অবস্থায় দেখতে পান ভ্রাম্যমাণ আদালতের সদস্যরা। পরে অ্যাম্বুলেন্সটির চালক মো.আবুল কালাম আজাদ (৩০) গাড়ির বৈধ কাগজপত্র প্রদর্শনের জন্য বলা হলে তিনি তা দেখাতে ব্যর্থ হন।

এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। জরিমানাকৃত অ্যাম্বুলেন্সটির নম্বর চট্টগ্রাম-ছ ৭১-০০০১ বলে জানা গেছে।

অভিযানকালে হাসপাতালের ভেতর ও বাইরের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। বিশেষ করে হাসপাতালের প্রধান ফটক সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট ও দখলদারিত্বের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়। এসময় সংশ্লিষ্ট দোকান মালিকদের দ্রুত দোকান অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যশোর সদর হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে দালালচক্রের দৌরাত্ম্য, অবৈধ পার্কিং, অতিরিক্ত ভিড় এবং হাসপাতালের প্রবেশমুখে অবৈধ দোকানপাটের কারণে সাধারণ রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি বেড়ে চলেছে। এসব অনিয়ম বন্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অভিযানে উপস্থিত কর্মকর্তারা জানান, হাসপাতালকে দালালমুক্ত ও সেবাবান্ধব পরিবেশে পরিচালনার লক্ষ্যে প্রশাসনের নজরদারি আরও জোরদার করা হবে। পাশাপাশি অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা অনেক রোগী ও স্বজন প্রশাসনের এমন অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, দালাল ও অবৈধ দখলদারদের কারণে হাসপাতালে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হন। নিয়মিত এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হলে হাসপাতালের পরিবেশ আরও স্বাভাবিক ও সেবাবান্ধব হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।