যশোরে সবজির বাজার চড়া, বেশিরভাগ সবজির কেজি ৫০ টাকার ওপরে
শাহরিয়ার সীমান্ত
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৬:৩৩
স্টাফ রিপোর্টার :
যশোরের বাজারে সব ধরনের সবজির দাম আবারও বাড়তে শুরু করেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে অধিকাংশ সবজিতে কেজিতে ২০ থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে সবজির দাম বাড়লেও মাছ ও মাংসের দাম গত সপ্তাহের মতোই স্থিতিশীল রয়েছে।
আজ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) যশোরের বড় বাজার ঘুরে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে বেগুন, যা প্রতি কেজি ১৪০ টাকা। এছাড়া টমেটো ৬০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৬০ টাকা, শসা ৬০ টাকা এবং পটল ও কুশি ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা এবং পেঁপে ৬০-৭০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। প্রতি পিস লাউ আকারভেদে ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
তবে পেঁয়াজ, রসুন ও আলুর দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল। বাজারে পেঁয়াজ ৩০-৩৫ টাকা, রসুন ৭০-১২০ টাকা এবং আলু ২০-২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা কেজিতে।
সবজির দাম বাড়লেও স্বস্তি রয়েছে মাংসের বাজারে। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ২০০-২১০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩৩০-৩৫০ টাকা এবং লেয়ার ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজারে গিয়ে দেখা যায়, রুই মাছ আকারভেদে ২২০-২৫০ টাকা, কাতল ২৪০-২৫০ টাকা, পাঙাশ ১৬০-১৮০ টাকা এবং তেলাপিয়া ১৩০-১৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পাবদা ৩০০-৩৫০ টাকা এবং ভেটকি মাছ আকারভেদে ৫০০-৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। ছোট মাছের বাজারে প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
খুচরা সবজি ব্যবসায়ীরা বলছেন, বর্তমানে বাজারে মৌসুম পরিবর্তনের প্রভাব পড়ছে। শীতকালীন সবজির সরবরাহ এখন নেই বললেই চলে, আর গ্রীষ্মকালীন নতুন সবজি বাজারে আসতে শুরু করেছে। সরবরাহে ঘাটতি থাকায় দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে বড় বাজারে সবজি সরবরাহ বাড়লে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দাম আবারও স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছেন তারা।
এদিকে হঠাৎ দাম বৃদ্ধিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ক্রেতারা। তারা বলছেন, সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ২০-২৫ টাকা বৃদ্ধি পাওয়ায় মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে।
আপনার মতামত লিখুন :