• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
Techogram

আব্রাহাম লিংকনের পর আরও এক নৌবহর পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র


FavIcon
শাহরিয়ার সীমান্ত
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৩৩
ছবির ক্যাপশন: ad728

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় সামরিক উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছানোর এক দিন পরই সেখানে দ্বিতীয় একটি নৌবহর বা ‘আর্মাডা’ পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরে নতুন চুক্তিতে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া অঙ্গরাজ্যে এক সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, “এ মুহূর্তে আরেকটি সুন্দর নৌবহর ইরানের দিকে যাচ্ছে। আমি আশা করি তারা (ইরান) আমাদের সঙ্গে চুক্তি করবে। প্রথমবারেই তাদের চুক্তি করা উচিত ছিল।”

গত মঙ্গলবারই ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এবং এর সঙ্গে থাকা শক্তিশালী স্ট্রাইক গ্রুপ মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় প্রবেশ করেছে। এর আগে ট্রাম্প সংবাদমাধ্যম ‘এক্সিওস’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছিলেন, বর্তমানে ইরানের কাছে ভেনেজুয়েলার চেয়েও বিশাল ও শক্তিশালী মার্কিন নৌবহর অবস্থান করছে। নতুন এই দ্বিতীয় নৌবহরটি যুক্ত হলে অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে। তবে দ্বিতীয় বহর হিসেবে কোন রণতরীটি যাচ্ছে, তা এখনো স্পষ্ট করেনি হোয়াইট হাউস।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান অভিমুখে যাত্রার আগে এই যুদ্ধজাহাজগুলো ভেনেজুয়েলার জলসীমায় মোতায়েন ছিল। গত ৩ জানুয়ারি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন অভিযানে আটকের ঘটনার পর থেকে এই রণতরীগুলো ইরানের দিকে অগ্রসর হতে শুরু করে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ (Maximum Pressure) প্রয়োগের অংশ হিসেবেই এই বিপুল সামরিক শক্তি জড়ো করছে ওয়াশিংটন।

ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান আলোচনার জন্য বারবার যোগাযোগ করছে। তিনি বলেন, “তারা চুক্তি করতে চায়। আমি জানি তারা একাধিকবার আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।” তবে ইরানের পক্ষ থেকে এখনো এমন কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। ওয়াশিংটন চায় ইরান যেন তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করে এবং আঞ্চলিক প্রক্সিদের সমর্থন দেওয়া থেকে বিরত থাকে।

অন্যদিকে, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কমান্ডাররা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তারা ‘ট্রিগারে আঙুল’ রেখে প্রস্তুত আছেন।