যশোরে চেয়ারম্যান ও পরিচালকসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা
Swapnobhumi
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৪২
স্টাফ রিপোর্টার, যশোর:
প্রতারণার মাধ্যমে ১৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যশোর জেলা কৃষি শ্রমিক ইউনিয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান ও পরিচালকসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মামলা হয়েছে। সোমাবর যশোর শহরের শংকরপুরের আবুল কালামের মেয়ে সাফিয়া বেগম বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন। অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম অভিযোগে তদন্ত করে পিবিআইকে প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন।
আসামিরা হলো, সংস্থার যশোরের চেয়ারম্যান মণিরামপুরের শ^রূপদাহ গ্রামের শফিকুজ্জামান, পরিচালাক মণিরামপুরের দূর্গাপুর গ্রামের মুরাদা হোসেন, গাইবান্ধার পরিচালক রেজাউল করিম, আবু ইউসুফ আকন্দ, টাঙ্গাইলের পরিচালক সালমা আক্তার, পরিচালক শহিন মিয়া, মানিকগঞ্জর পরিচালক হারুন অর রশীদ ও দিনাজপুরের পরিচালক মোজাম্মেল হক।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, যশোর শহরের ইসহক সড়কের জেলা কৃষি শ্রমিক ইউনিয়ন সংস্থা সদর উপজেলার অফিস খুলে সদস্য সংগ্রহ শুরু করেন আসামি শফিকুজ্জামান ও মুরাদ হোসেন। সদস্য পদ পাওয়ার পর কিস্তির মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকা সঞ্চয় জমা করলে সংস্থার পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য স্যনিটেশন ও আবাসন প্রকল্পের আওতায় দুই রুসের বসত বাড়ি, আবারও ৩০ হাজার টাকা জমা হলে সাবমার্সেবল টিউবয়েল এবয় ১২ হাজার টাকা জমা দিলে সৌর বিদ্যুদৎ প্যালেন দেয়ার প্রস্তাব দেন। আসামিরা সাফিয়া খাতুনকে তাদের কর্মী নিয়োগ করে সদস্য সংগ্রহের প্রস্তাব দেন। তাদের প্রস্তাবে রাজি হয়ে সাফিয়া খাতুন সদস্য সংগ্রহে কাজ করেন। সদস্যদের সামনে আসামি শফিকুজ্জামান ও মুরাদ আবাসন প্রকল্পটি সরকারি বলে প্রচার করেন। আসমিদের কথা রাজি হয়ে চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত সাফিয়া খাতুন তার এলাকার ৯৫ জন সদস্য সংগ্রহ করে ১৪ লাখ টাকা আসামিদের দেন। আসামিরা তিন মাসের মধ্যের প্রকল্পের কাজ শুরু করবেন বলে সদস্যদের আসস্ত করেন। কিছুদিন পর তার কাজ না করে নানা তালবাহানা শুরু করেন। হটাৎ একদিন সংস্থার অফিস বন্দ করে আসামি লাপাত্তা হয়ে যায়। গত ২ ফেব্রæয়ারি আসামি শফিকুজ্জামান ও মুরাদের সাথে দেখা হলে তারা টাকা ফেরত দিবে না বলে জানিয়ে চলে যায়। টাকা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে তিনি আদালতে এ মামলা করেছেন।
আপনার মতামত লিখুন :