প্রিন্ট এর তারিখঃ Aug 31, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ 31 August 2026, 12:31 ইং
যশোরে পৈতৃক ভিটা থেকে পরিবারকে উচ্ছেদের অভিযোগ, নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগীরা

স্টাফ রিপোর্টার :
যশোর সদর উপজেলার ১২ নম্বর ফতেপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের চাঁদপাড়া গ্রামে একটি পরিবারকে পৈতৃক ভিটা থেকে জোরপূর্বক উচ্ছেদের চেষ্টার মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ভয়ভীতি প্রদর্শন, হয়রানি ও মারধরের শিকার হয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে ভুক্তভোগী পরিবারটি।
অভিযোগসূত্রে জানা গেছে, চাঁদপাড়া গ্রামের মানিক মোল্লার বসতবাড়ির সীমানা ঘেঁষা প্রায় দুই শতক জমি নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত হয়। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি বি. এম. এলাম হোসেন রানা ও কয়েকজন ব্যক্তিবর্গ যৌথভাবে ওই জমি দখলের পাঁয়তারা এবং পরিবারটির সদস্যদের নানাভাবে হয়রানি করে আসছেন।
ভুক্তভোগীরা জানান, আইনি ও পারিবারিকভাবে সীমানা ভাগবাটোয়ারা করে বিধবা ও এতিমদের প্রাপ্য সম্পত্তি বুঝিয়ে দেওয়া হলেও বিরোধ থামেনি। অভিযোগ রয়েছে, জাফর ও সুজন নামের দুই ব্যক্তির রাস্তার পাশের প্রায় ১০ লাখ টাকা মূল্যের জমি ভয়ভীতি দেখিয়ে মাত্র ১ লাখ ৫০ হাজার টাকায় জোরপূর্বক সই করিয়ে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে জমির ক্রেতা আবুল কালাম আজাদ সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করলে বি. এম. এলাম হোসেন রানা পুনরায় তাতে বাধা দেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংক্ষুব্ধ পক্ষ আইনি প্রতিকার চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হলে বিতর্কিত জমিটির ওপর ১৪৪ ধারা জারি করে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন আদালত।
তবে ভুক্তভোগী সুজন অভিযোগ করেন, আদালতের স্পষ্ট আদেশ অমান্য করে পুনরায় প্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা চালানো হলে বি. এম. এলাম হোসেন রানা স্থানীয় কিছু লোককে সঙ্গে নিয়ে হামলা চালান। এ সময় তারা রকি ও হুমায়াসহ পরিবারের সদস্যদের মারধর করেন এবং প্রাণনাশের ভয়ভীতি দেখান।
বর্তমানে সুজন ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পৈতৃক জমিতে পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ স্বপ্নভূমি নিউজ