প্রিন্ট এর তারিখঃ Jan 15, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ 09 January 2026, 13:46 ইং
জামাই পরশের পরিকল্পনায় বিএনপি নেতা আলমগীকে হত্যা করা হয়, শুটার ত্রিদিব চক্রবর্তী মিশুক

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর:
যশোরের বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন হত্যা মামলায় আটক ত্রিদিব চক্রবর্তী মিশুক আদালতে স্বীকারেক্তি জবানবন্দি দিয়েছে। আটক মিশুক নিজেকে শুটার ও পরিকল্পনাকারী পরশসহ অপর জড়িতদের নাম জবনবন্দিতে উল্লেখ করেছে বলে জানা গেছে। অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম আসামির জবানবন্দি গ্রহণ শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।
বুধবার সন্ধায় শহরের বেজপাড়ার বাড়ি থেকে মিশুককে আটক করেছিল যশোরের ডিবি পুলিশ। মিশুক বেজপাড়া চিরুনিকল এলাকার মিহির চক্রবর্তী ত্রিনাথের ছেলে।
জানা গেছে, ঘটনার দিন বিকেলে মিশুক তার বাসায় ছিল। সন্ধ্যার আগের প্রিন্স তাকে বাসা থেকে পরশের কাছে নিয়ে যায়। সেখানে পরশ, সাগর, অমিসহ কয়েকজন ছিল। এরপর অমি ও মিশুক মোটরসাইকেলে বের হয়ে ছিল । মিশুক মোটরসাইকেলের পিছনে বসে আলমগীরকে গুলি করেছিল বলে জানা গেছে।
ডিবির এসআই অলক কুমার দে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, হত্যাকান্ডের ঘটনাস্থলসহ আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে প্রথমে তাকে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মোবাইল ফোন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত করে মিশুককে আটক করা হয়। বৃহস্পতিাবার সন্ধায় আটক মিশুককে আদালতের সোপর্দ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৩ জানুয়ারি সন্ধায় নিজ এলাকায় বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনকে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শামীমা বেগম বাদী হয়ে জামাই পরশ ও সাগরসহ অপরিচিত ব্যক্তিদের আসামি করে কোতয়ালি থানায় মামলা করেন। ঘটনার পর পুলিশ এ হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে জামাই পরশ ও সাগরকে আটক করেছিল।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ স্বপ্নভূমি নিউজ